শুক্রবার, ২২ এপ্রিল, ২০২২

 ব্যবসায়ীরা রাজনীতি করলে, রাজনীতিকরাও ব্যবসা করবে... এটাই স্বাভাবিক।

 নাহিদের মৃত্যুর দায় কি নেবে ঢাকা কলেজ বা নিউমার্কেট? রাষ্ট্র কি দায় এড়িয়ে যেতে পারে! না কি দোষ সামাজিক অবক্ষয়ের? আমরা তো সমাজের বাইরে নই। আমাদের কি কোনও দায় নেই? আমি মনে করি, সব দায় আমাদের। আমাদের সামান্য ছোটছোট সুবিধাবাদী মানসিকতা পরোক্ষে সামাজিক অবক্ষয়ের জন্য দায়ী। একবারে সম্ভব নয়- একটু একটু শুদ্ধ হবার সময় এখনও ফুরিয়ে যায় নি।

 মিথ্যার বিচরণ, বিপণন, বিরচন বেশুমার। কারণ, সত্য কেনার, মেনে নেবার যোগ্যতা, সাহস সবার নেই, থাকে না।

 সৃষ্টিকর্তাকে বেশি ডাকা নিরাপদ নয়। ভদ্রতা করে উনিও ডেকে বসতে পারেন!

মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

কেউ চোখে ধুলো দিলে কষ্ট পাই না। কারণ, তখন দৃষ্টি খুলে যায়- আরও ভালো দেখি।

সোমবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২২

সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিভ্রান্ত হওয়ার সময় কোথায়! সিদ্ধান্ত নিয়ে সেটাকেই সঠিক প্রমাণ করা-ই চূড়ান্ত সাফল্য।

প্রেমের জন্য সমবয়সী হওয়া জরুরি? নাকি প্রেম হয়ে গেলে অসম বয়েসীরাও সমবয়সী হয়ে যায়!
এক জীবনে সব কিছু দেওয়া সৃষ্টিকর্তার পক্ষেও সম্ভব না- সম্ভবত এই কারণে তিনি 'স্বপ্ন' নামে একটি জগৎ সৃষ্টি করেছেন।
ভেবেছিলাম সুদীর্ঘ এই ভ্রমণে পথের বাঁকে; রাখব তোমায় স্মরণে। রাস্তাগুলো ইদানীং সোজা পথে চলে। বাঁক যে কোথায় পাই!
সাগরের নোনা জল- মায়াজাল বিছিয়ে ভাবে, মিঠে জলের যত নদী; আমার বুকে এসেই হাবুডুবু খাবে। কী বিচিত্র! তার ভাবনা সত্যি হয়ে যায়। আমাদের সত্যগুলো কীসের মায়ায় যে ভাবনায় পড়ে যায়- ভাবতেই অবাক লাগে।
বয়স বাড়লে হাসি থামুক আর না থামুক। হাসি থামলে বয়স বেড়ে যায়!
বিদায়-বেলা সবাই বলে, বেঁচে থাকলে দেখা হবে। আমার মনে হয়, দেখা হলেই বেঁচে থাকা যাবে।
'শব্দ' স্পর্শের বাইরে বসেও আমাদের ছুঁয়ে যায়।
দিন-রাত চেতনায় ঘুরে বেড়াও- কোনই ক্লান্তি নেই!
শুরুতে ফিরে যাওয়া বা শুরুটা বদলে দেওয়া এখন আর সম্ভব নয়। তবে এখন থেকে শুরু করা যায়, শেষটা বদলেও দেওয়া যায়।

সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২

মানবিক মূল্যবোধ

 ফেসবুকের একটি গ্রুপ। সদস্যগণ মূলত হিন্দি-ভাষী। সেখানে একটি পোস্ট দেখে থমকে গেলাম। ছবিসহ পোস্টটি দেখে মনে হল, কোনও নিউজপোর্টাল থেকে নেওয়া হয়েছে। ছবিতে একজন বৃদ্ধা আর একটি শিশু দু'জন পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। বৃদ্ধা শিশুটির দাদী। স্কুল থেকে শিক্ষাসফরে শিশুদের নিয়ে যাওয়া হয় বৃদ্ধাশ্রমে। সেই বৃদ্ধাশ্রমেই শিশুটি খুঁজে পায় তার দাদীকে। মা-বাবা তাকে জানিয়েছিল, তার দাদী অন্যত্র বেড়াতে গিয়েছে- কোনও আত্মীয়ের বাড়ি।

ঘটনা এটুকুই। কিন্তু বড় একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। কী শিক্ষা দিচ্ছি আমরা শিশুদের। আমাদের মানবিক মূল্যবোধ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে! শিশুদের মূল্যবোধ সৃজনে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি না তো!


২৮ মার্চ ২০২২। ২৩:০০

খুলনা, বাংলাদেশ।